রাস্তাটি বর্তমানে মরণ ফাঁদে
রাস্তাটি বর্তমানে মরণ ফাঁদে

পত্রদূত প্রতিনিধিঃতেলিয়ামুড়াঃ রাস্তাটির নির্মাণ করা হয় মাত্র ২ বছর পূর্বে, কাজের বরাত দেওয়া হয় এন.বি.সি.সি ঠিকাদার সংস্থাকে। সেই সংস্থা তেলিয়ামুড়ার স্থানীয় ঠিকাদার মনোজ ঘোষ'কে কাজ করার দায়িত্ব দেয়। অভিযোগ,কাজের শুরু থেকে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যাবহার করা সহ নিম্নমানের কাজ করার ফলে ২ বছর যেতে না যেতেই, রাস্তাটি বর্তমানে মরণ ফাঁদে পরিণত হয়েছে। যার ফল ভোগ করতে হচ্ছে পথচলতি সাধারন মানুষজন সহ, এই রাস্তা দিয়ে প্রতিনিয়ত যাতায়াত করা প্রায় ১০ থেকে ১৫ টি প্রত্যন্ত অঞ্চলের উপজাতি গ্রামের মানুষজনদের । আর তাতে করে পথদুর্ঘটনা এই রাস্তাটির মধ্যে নিত্যদিনের ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এমনটাই অভিযোগ, এলাকাবাসীদের। এদিকে রাস্তাটি বেহাল দশায় পরিণত হওয়াতে ওই এলাকাবাসিরা তেলিয়ামুড়া বাজারে আসছে হলেও দ্বিগুণ ভাড়া দিয়ে আসতে হয়। এমনকি অসুস্থ রোগীদের তেলিয়ামুড়া মহকুমা নিয়ে আসতে হলে খুবই অসুবিধার সম্মুখীন হতে হচ্ছে। এই রাস্তাটি সংস্কারের দাবি এলাকাবাসী দীর্ঘদিন ধরে জানিয়ে আসলেও তাদের কথাতে কেউ কর্ণপাত করেনি বলে অভিযোগ। সংশ্লিষ্ট এলাকার এক শাসকদলীয় নেতা জানায় যে এই রাস্তাটির নির্মাণ অত্যন্ত নিম্নমানের করা হয়েছে, নামেমাত্র পিজের প্রলেপ দিয়ে এই রাস্তাটির নির্মাণ কাজ সমাপ্ত করে দেওয়া হয়। যার ফলে ২ বছর যেতে না যেতেই রাস্তাটি মরণ ফাঁদে পরিণত হয়েছে, তাছাড়া এলাকার একজন প্রবীণ ব্যাক্তি জানায় রাস্তাটি খুবই নিম্নমানের করা হয়েছে। এই রাস্তাটির বর্তমান অবস্থা দেখে প্রশ্ন উঠছে সমাজের একাংশ শুভবুদ্ধি সম্পন্ন মহলে থেকে, এই রাস্তাটি নির্মাণের তদারকি কি আদৌ সঠিকভাবে করেছে পি.ডব্লিউ.ডি দপ্তর? নাকি পি.ডব্লিউ.ডি দপ্তরের তদারকির অভাবে এই রাস্তাটির মধ্যে এই দুর্নীতির প্রভাব পড়েছে ?

আরো পড়ুন