২৯০ কেজি গাঁজা উদ্ধার
২৯০ কেজি গাঁজা উদ্ধার

পত্রদূত: সংবাদে জানা যায়, রাজ্য সরকারের নেশার বিরোধী অভিযান এবং খোয়াই জেলার এস.পি ভানুপদ চক্রবর্তীর নির্দেশ অনুসারে প্রতিদিনই তেলিয়ামুড়া থানার পুলিশ নাকা চেকিংয়ে বসে। প্রতিদিনের মতো শনিবার তেলিয়ামুড়া থানার এস.আই প্রীতম দত্তের নেতৃত্বে নাকা চেকিং-এ বসে। এই নাকা চেকিংয়ে বসে এস.আই প্রীতম দত্ত দূরপাল্লার গাড়ি গুলিকে চেকিং করার সময় আগরতলা থেকে আসা BR 06 CB 7902 নম্বরের দূরপাল্লার লরিটিকে দাঁড় করিয়ে কাগজপত্র সহ গাড়িতে তল্লাশি চালায়। সে সময় গাড়ির চালক সঞ্জয় শর্মাকে প্রীতম দত্ত জিজ্ঞেস করে গাড়িতে অবৈধ কোন জিনিস রয়েছে কিনা। প্রীতম দত্তের সেই প্রশ্নের উত্তরে গাড়িচালক  সাফ জানিয়ে দেয় গাড়িতে গাঁজা রয়েছে। পরে প্রীতম দত্তের নেতৃত্বে গাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে গাড়ির বডির নিচে রাখা গোপন জায়গা থেকে ২৯০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করে। যার বাজার মূল্য আনুমানিক ১৫ লাখ টাকা ।এই খবর শুনতে পেয়ে তেলিয়ামুড়া থানায় ছুটে যান তেলিয়ামুড়া মহকুমা পুলিশ আধিকারিক সোনা চরণ জমাতিয়া।  পুলিশ আধিকারিক সোনা চরন জমাতিয়া জানান,,,রাজ্য সরকার এবং খোয়াই জেলার এস.পি'র নির্দেশমূলে প্রতিদিনই নাকা চেকিং করা হয় তেলিয়ামুড়া থানার সামনে। আর এই নাকা চেকিংয়ে বসে তেলিয়ামুড়া থানার পুলিশ উদ্ধার করতে পেরেছে বিপুল পরিমাণে গাঁজা। আটক করা হয়েছে গাড়িসহ গাড়ির চালক সঞ্জয় শর্মা এবং রামকৃষ্ণ চক্রবর্তীকে। তাদের দুজনের বাড়ি বিশালগড় থানা এলাকায়। পুলিশ একটি মামলা নিয়ে তদন্ত শুরু করে দিয়েছে।   এদিকে আটককৃত গাঁজা বোঝাই লরির চালক সঞ্জয় শর্মা জানায়,,,আগরতলা থেকে গাড়িটিকে আমবাসায় পৌঁছে দেওয়ার জন্য বলা হয়েছে। তাই শনিবার সকালে যথারীতি আগরতলা থেকে আমবাসা উদ্দেশ্যে রওনা দিয়ে গাড়ি নিয়ে। বড়মুড়া সাধুপাড়া ব্রিজের কাছে আসতেই তার কাছে ফোন আসে আনন্দ দাসের। আনন্দ দাসের বাড়ি বিশালগড়ের নেতাজি নগর এলাকায়। আনন্দ দাস ফোন যুগে  গাড়ির চালক সঞ্জয় শর্মা'কে জানায় গাড়িতে গাঁজা রয়েছে। সেই সময়ই নাকি সঞ্জয় শর্মা গাড়ি নিয়ে আর এগোতে চাইছিল না। পরে অবশ্যই চাকমা ঘাট পর্যন্ত গাড়িটি পৌঁছে দেওয়ার আনন্দ দাস তাকে অনুরোধ করে। পরে অবশ্যই সাধুপাড়া থেকে চাকমা ঘাটের উদ্দেশ্যে আসছিল সঞ্জয় শর্মা গাড়িটি নিয়ে। পরে তেলিয়ামুড়া থানার হাতে ১৫ লাখ টাকার গাঁজা সহ ধরা পড়ে সঞ্জয় শর্মা এবং গাড়ির চালক রামকৃষ্ণ চক্রবর্তী।

আরো পড়ুন