সেতুর সঠিক রক্ষণাবেক্ষণ হচ্ছে না
সেতুর সঠিক রক্ষণাবেক্ষণ হচ্ছে না

পত্রদূত: শ্রীরামপুর পাকা সেতুর সঠিক রক্ষণাবেক্ষণ হচ্ছে না,   সেতুর উপরের অংশ মাঝে মাঝে সংস্কার করা হলও নিচের অংশে সংস্কার কাজ করা হয় না, যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে অভিমত স্থানীয়দের। শ্রিরামপুর পাকা সেতু সংস্কার বিষয়ক একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়েছিল গত 3রা মে। নিচের অংশের সংস্কারের দাবিতে সরব হয়েছিল স্থানীয়রা। দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে ঘটতে পারে বড় ধরনের বিপদ এমনটাই অভিমত প্রকাশ করেছিল এলাকাবাসীর।চন্ডিপুর ব্লকের অন্তর্গত  ৮ - ৯  টি গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকা সহ মনুভ্যলি টি ফেক্টরির সাথে কৈলাশহর শহর তথা রাজ্যের অন্যান্য জেলা ও বহিঃ রাজ্যে যোগাযোগের একমাত্র প্রধান সেতু হচ্ছে শ্রীরামপুর পাকা সেতু। দীর্ঘ কয়েক দশকের দুর্ভোগ ও ক্রমাগত আন্দোলনের পর 17 ই জুন 2003 সালে পূর্ত ও অর্থ দপ্তরের মন্ত্রী বাদল চৌধুরীর হাত ধরে শ্রীরামপুর পাকা সেতুর শিলান্যাস হয়েছিল। ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের প্রায় পাঁচ বছর পর ২৫ ডিসেম্বর ২০০৮ সালে বৈদ্যনাথ মজুমদারের হাত ধরে স্বপ্নের এই শ্রীরামপুর পাকা সেতুর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হয়েছিল। এর ফলে এই ৮টি গ্রাম পঞ্চায়েত সহ মনুভ্যলি টি ফ্যাক্টরির দীর্ঘদিনের দুর্দশা লাঘভ হয়েছিল। একই সাথে এই পাকা সেতু কে কেন্দ্র করে প্রতিদিনই বিকালে প্রকৃতিপ্রেমীদের আনাগোনা বৃদ্ধি পেতে থাকে। পাকা সেতুটি উদ্বোধন হওয়ার পর তার উপরের অংশে সংস্কার কাজ করা হলেও তার নীচের অংশে সংস্কার কাজ করা হচ্ছে না এমনটাই অভিযোগ ছিল শ্রীরামপুর এলাকার বাসিন্দাদের।  বর্তমানে এর সংস্কার কাজ করতে যতটানা অর্থ ব্যয় হবে সময় পেরিয়ে গেলে তার কয়েক গুণ অর্থ ব্যয় করেও সেতুটি সংস্কার কাজ  সম্ভব হবে না তখন দুর্দশায় পড়তে হবে এই বিস্তীর্ণ এলাকার বাসিন্দাদের। সাধারণ নাগরিকদের এই অভিযোগ শ্রীরামপুর পাকা সেতুর নিচের অংশ পরিদর্শন করলে দেখা যায় একাধিক জায়গায় জং ধরা পড়েছে, কোথাও সেতুর পিলারের  মাটি সরে গেছে। তবে সাধারণ নাগরিকদের এই ভয় পুরোপুরি দূর করলেন দপ্তরের SDO। 

আরো পড়ুন