বিভিন্ন সমস্যায় জর্জরিত  বিদ্যালয়
বিভিন্ন সমস্যায় জর্জরিত  বিদ্যালয়

পত্রদূত:  রাজ্য সরকার শিক্ষার মানোন্নয়নের লক্ষ্যে বিদ্যালয় গুলিকে ঢেলে সাজানোর প্রক্রিয়া ইতিমধ্যেই গ্রহণ করেছে। কিভাবে শিক্ষার্থীদের মান উন্নয়ন ঘটানো যায় সে বিষয়কে সামনে রেখে নিত্য নতুন পরিকল্পনা গ্রহণ করছে রাজ্য সরকার।  কিন্তু তা সত্ত্বেও রাজ্যের বিভিন্ন মহাকুমার এমনও অনেক স্কুল রয়েছে যে স্কুলগুলি বিভিন্ন সমস্যায় জর্জরিত।  বিদ্যালয়গুলির এই সমস্যাগুলি অতি দ্রুত সমাধান খুবই প্রয়োজন। কেননা সমস্যা নিয়ে কোন বিদ্যালয়ে সঠিকভাবে ছাত্র-ছাত্রীদের শিক্ষাগত মান উন্নয়ন সম্ভবপর নয়।আমবাসা মহকুমার অন্তর্গত ডলু বাড়ি গেইট দ্বাদশ শ্রেণী বিদ্যালয় মহাকুমার একটি স্বনামধন্য স্কুল। রাজ্যস্তরে বিদ্যালয়ের সুনাম রয়েছে। প্রথম শ্রেণী থেকে শুরু করে দ্বাদশ শ্রেণী পর্যন্ত বিদ্যালয়ের ছাত্র ছাত্রী রয়েছে প্রায় 600। কিন্তু এই বিদ্যালয়েও রয়েছে নানান সমস্যা। পরিকাঠামো দিকসহ পঠন-পাঠনের রয়েছে নানান সমস্যা। বিদ্যালয় এর সমস্যাগুলো নিয়ে যখন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সুকমল কান্তি দাসের সঙ্গে বার্তালাপ করা হয় তখন তিনি বিদ্যালয়ের সমস্যা গুলি একেক করে তুলে ধরেন আমাদের ক্যামেরা সম্মুখে।প্রধান শিক্ষক বলতে গিয়ে প্রথমেই বলেন বিদ্যালয়ের পানীয় জলের সমস্যা ব্যাপক। মিড ডে মিল তৈরি করা থেকে শুরু করে ছাত্র ছাত্রীদের পান করার পানীয় জলের সমস্যা রয়েছে। এ বিষয়ে বহুবার সংশ্লিষ্ট দপ্তরের জানিও এখনো কোনো সমস্যার সমাধান হয়নি। দ্বিতীয়তঃ বিদ্যালয়ের প্রাথমিক বিভাগে নেই পর্যাপ্ত পরিমাণে শিক্ষক। প্রথম শ্রেণী থেকে শুরু করে পঞ্চম শ্রেণীর জন্য রয়েছে মাত্র 4 জন শিক্ষক। যা বলতে গেলে খুবই কম। এই 4 জন শিক্ষক দিয়ে প্রাথমিক বিভাগ চালাতে হিমশিম খাচ্ছেন বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা। ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে দ্বাদশ শ্রেণী পর্যন্ত বিদ্যালয়ে পঠন পাঠন চালানোর মতো শিক্ষক থাকলেও বিষয় শিক্ষকের অভাব রয়ে গেছে। সমস্যার কথা বলতে গিয়ে প্রধান শিক্ষক জানান বিদ্যালয় ছাত্রীদের জন্য নেই কোন আলাদা টয়লেট। ছাত্র ছাত্রী থেকে শুরু করে বিদ্যালয়ের শিক্ষক শিক্ষিকারা একটি টয়লেট ব্যবহার করে আসছেন। যেহেতু বিদ্যালয়টি দ্বাদশ মান পর্যন্ত তাই বিদ্যালয়ে একটি আলাদা করে ছাত্রীদের জন্য টয়লেট থাকা খুবই প্রয়োজন বলে মনে করছেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। আর বর্তমানে যে টয়লেট রয়েছে তাও ভগ্নদশা প্রায়। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক চাইছেন উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষ চেনো বিদ্যালয়ের সমস্যাগুলি সমাধানের যথোপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করোক।

আরো পড়ুন