জলের অভাবে সব্জি ফসল নষ্ট
জলের অভাবে সব্জি ফসল নষ্ট

পত্রদূত প্রতিনিধিঃ কৈলাসহরঃ- লাটিয়াপুড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের গোপীনাথপুর গ্রামে জলের অভাবে লক্ষ লক্ষ টাকার সব্জি ফসল নষ্ট হয়ে যাচ্ছে তারপরও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের আধিকারিকরা উদাসীন। অসহায় কৃষকরা কৈলাসহরের বিধায়ক মোবস্বর আলীর দারস্থ।  উল্লেখ্য, কৈলাসহরের  গৌরনগর ব্লকের অধীনে অবস্থিত লাটিয়াপুড়া গ্রাম পঞ্চায়েত। লাটিয়াপুড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের গোপীনাথপুর গ্রামের অধিকাংশ মানুষই কৃষক। মনু নদীর পাশে অবস্থিত গোপীনাথপুর গ্রামে প্রায় পঞ্চাশ পরিবার কৃষক রয়েছে। এবং গ্রামে প্রায় ত্রিশ একর জায়গা রয়েছে। এই জায়গাতেই কৃষকরা সারা বছর সব্জি চাষ করে জীবিকা নির্বাহ করেন। গোপীনাথপুর গ্রামের সব্জি চাষে কৃষকদের সুবিধার্থে জল সম্পদ বিকাশ দপ্তরের পক্ষ থেকে বিগত দশ বছর পূর্বে গ্রামে একটি পাম্প মেশিন বসানো হয়েছিল। এই পাম্প মেশিনের মাধ্যমে মনু নদী থেকে জল এনে প্রতিদিন দুইবেলা করে জল সব্জি ফসলের জমিতে দেওয়া হতো বলে গ্রামের কৃষকরা জানান। কিন্তু বর্তমান এই প্রচন্ড খরা মুরশুমে বিগত এক মাস ধরে পাম্প মেশিন বিকল হয়ে থাকার কারণে সব্জি ফসলের জমিতে জল সরবরাহ না হওয়াতে কয়েক লক্ষ টাকার মুখী ফসল নষ্ট হয়ে গেছে। এমনকি প্রচন্ড রৌদ্রে জলের অভাবে মুখী গাছ জ্বলে পুড়ে গেছে। গোপীনাথপুর গ্রামের কৃষকরা কয়েকবার জল সম্পদ বিকাশ দপ্তরের আধিকারিকের নিকট এই ঘটনা জানানোর পরও দপ্তরের আধিকারিক কোনো কার্যকরী পদক্ষেপ নেয়নি। অবশেষে কৃষকরা কৈলাসহরের বিধায়ক মোবস্বর আলীর দারস্থ হবার পর বিধায়ক মোবস্বর আলী নিজে গোপীনাথপুর গ্রামে গিয়ে সব্জি ফসল দেখে হতভম্ব হয়ে যান এবং কৃষকদের পাশে দাঁড়ান। গ্রামের কৃষকদের সাথে নিয়ে সোমবার দুপুরে কৈলাসহরের জল সম্পদ বিকাশ দপ্তরের অফিসে গিয়ে এক্সিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ার সঞ্জয় পালের সাথে এক প্রতিনিধি মূলক ডেপুটেশনে মিলিত হন। ডেপুটেশন শেষে বিধায়ক মোবস্বর আলী জানান যে, এক্সিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ার সঞ্জয় পাল আশ্বাস দিয়েছেন যে আগামী দশ দিনের মধ্যে পাম্প মেশিন ঠিক করে দেওয়া হবে। বিধায়ক এও জানান যে, যদি আগামী দশ দিনের মধ্যে পাম্প মেশিন ঠিক করে না দেওয়া হয় তাহলে এক্সিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ারকে ঘেরাও করে বৃহওর আন্দোলন করা হবে

আরো পড়ুন